কচুয়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে হয়রানিতে গ্রাহক

image

চাঁদপুর প্রতিনিধি-

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কচুয়া জোনাল অফিসে অতিরিক্ত বিল আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। কয়েক মাস ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার গুণ অতিরিক্ত বিল দিতে হচ্ছে তাদের।

গ্রাহকেরা অভিযোগ করেন, রিডাররা যথাযথভাবে মিটার না দেখে বিল করছেন। মিটার রিডারদের গাফিলতির কারণে তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।

কচুয়া জনতা ব্যাংক, পুবালী ব্যাংক,  এন সি সি ব্যাংক, আই এফ আই সি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের  শাখায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থানকালে ২০-২৫ জন গ্রাহককে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দিতে দেখা গেছে।

এসব গ্রাহক অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন মনগড়া বিল তৈরি করেন। তাদের কাছে গিয়ে এসব অভিযোগ করলে বিদ্যুৎ বিল যা এসেছে তা-ই দিতে হবে বলে জানান।

কচুয়া উপজেলার ডুমুরিয়া এলাকার মোঃ হাবিব বলেন, ‘আমি তিনটি পাখা, তিনটি  বাতি ও একটি টেলিভিশন ব্যবহার করি। সব সময় আমার ৫০ থেকে ৭০ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল আসত। অথচ তিন মাস ধরে আমার ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ কম দেখালেও বিল বাবদ অতিরিক্ত টাকা আসছে।’

রহিমানগর এলাকার সিরাজ মিয়া বলেন, ‘আমি একটি ফ্যান, একটি লাইট, একটি ফ্রিজ ও টেলিভিশন ব্যবহার করি। অথচ মে  মাসে প্রায় ২ হাজার টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল এসেছে।’

কচুয়া উপজেলার সাচার, পালাখাল, রহিমানগর, হোসেনপুর,কাদলা, কড়ইয়া, ডুমুরিয়া, দরিয়াহয়াপুর, আশ্রাবপুর, কোয়া  ও কচুয়া সদরের এলাকার কিছু গ্রাহকের সঙ্গে কথা হলে তারা বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের মনগড়া ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগ করেন।

তবে মনগড়া ও মিটার না দেখেই বিল তৈরি করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কয়েকজন মিটার রিডার।

আন্দোলন৭১/রাছেল/এস