ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিতদের ওপর হামলা

image

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি-

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিতরা বিক্ষোভ করেছেন। কমিটিতে শিবির কোটাধারীদের স্থান দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এসময় তাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠে।

সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলের পর মধুর ক্যান্টিনে তাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে নির্বাচিত ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন- 'নবগঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত, জামাত, বিএনপি ও রাজাকারের সন্তান, বিবাহিত (সন্তানের জনক), চাকুরীজীবী, বয়োসোর্ধ, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, বিভিন্ন মামলার আসামি, যারা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের সময় ছাত্রদল, শিবির করার দায়ে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এমন অনেকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।'

তিনি লিখেন- 'গত কেন্দ্রীয় কমিটিতে যারা সম্পাদক, উপ-সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, সদস্য, বিভিন্ন হলের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক ছিল ও যারা ডাকসুর বর্তমান নির্বাচিত সম্পাদক, সদস্য তাদের ভালো পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, দুঃসময় রাজপথে সক্রিয় এবং গত কমিটিতে ভালো পদ থাকার পরেও তাদের পদ বঞ্চিত করার প্রতিবাদে যখন আমার ছাত্রলীগের ভাইয়েরা, বোনেরা হাকিম চত্তর থেকে মিছিল বের করে অপরাজেয় বাংলা, শ্যাডো হয়ে মধুর ক্যান্টিনে যায় তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সেক্রেটারি অনুসারীরা প্লান করে আমাদের বোন বিএম লিপি আক্তার এবং তিলোক্তমা শিকদারের ও ফরিদা পারবিনের উপর হামলা করে।'

সৈকত লিখেন- 'আমরা ধিক্কার জানাই বোনদের উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার। ঘৃণাভরে এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করছি এবং অচিরে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের কমিটিতে স্থান দিতে হবে।'

এর সকালে ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহসভাপতি পদে রয়েছেন ৬১ জন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ১১ জন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন ১১জন। এছাড়া এছাড়া বিষয়ভিত্তিক সব সম্পাদক এবং সহ সম্পাদক ও উপ-সম্পাদকের ঘোষণা করা হয়।

আন্দোলন৭১/এস