ঢাকা মঙ্গলবার,২০,আগস্ট, ২০১৯

৩৩ ঘন্টা পর সচল বেনাপোল স্থলবন্দর

image

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি-

দেশের সর্বোবৃত্তম বেনাপোল স্থলবন্দর  ৩৩ ঘন্টা আমদানি-রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকার পর আজ দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের বৈঠকের পর দুপুর ৩ টার সময় পূণরায় সচল হয়েছে। 

বুধবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১ টার সময় বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারীদের আমন্ত্রনে ভারতীয় ১০ সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনে বৈঠক করার পর আমদানি-রফতানি চালু হয়েছে।

বেনাপোল স্থল বন্দরের শ্রমিক ও সিএন্ডএফ কর্মচারীরা ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের নিকট থেকে বকশিসের নামে চাঁদা বাজির অভিযোগে ভারতের ট্রাক মলিক সমিতি ও ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি ধর্মঘটের ডাক দেয় মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকাল থেকে। এরপর ওপারের পেট্রাপোল ব্যবসায়ী সংগঠন মঙ্গলবার সারাদিন বেনাপোল বন্দরের অভিযোগ নিয়ে সমাবেশ করেন। ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠন সমাবেশের সময় বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল আমদানি-রফতানি বানিজ্য চালু করার জন্য ওপারে যায়। আলোচনা ফলপ্রসু না হওয়ায় পেট্রাপোল বন্দরের নেতারা গতকাল থেকে আজ বেলা ৩ টা পর্যন্ত আমদানি-রফতানি বানিজ্য বন্ধ রাখে।

ভারতীয় পেট্রাপোল মালিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বেনাপোল স্থল বন্দরের নাইট গার্ড, হ্যান্ডলিং শ্রমিক ও সিএন্ডএফ কর্মচারী কর্তৃক আমদানি পণ্যবাহী গাড়ি থেকে  বেনাপোল স্থল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের নিকট থেকে অতিরিক্ত বকশিস আদায়ের নামে তাদেরকে হয়রানি ও নির্যাতন করে। প্রতিবাদে ও প্রতিকারের দাবিতে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বানিজ্য কার্যক্রম বন্ধ রাখে। 

পেট্রাপোল ট্রাক ড্রাইভার শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, আমদানি পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন সংগঠনের কাছে নানান ভাবে হয়রানি হতে হয়। তারা বকিশিসের নামে জোর করে টাকা আদায় করে। এসব সমস্যা সমাধান না হলে কোন পণ্যবাহি ট্রাক বাংলাদেশে যাবে না বলে জানান তিনি। 

বেনাপোল সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন বলেন, ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সাথে বেনাপোল বন্দরের চলমান সমস্যা নিয়ে তাদের যে অভিযোগ ছিল তা আমরা ক্ষতিয়ে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আবার দু- দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বানিজ্য শুরু হয়েছে।

এদিকে,বাণিজ্য বন্ধের কারণে সীমান্তের দুই পাড়ের বন্দরে আমদানি-রফতানি পণ্য নিয়ে প্রায় সহস্রাধিক ট্রাক আটকা পড়ে আছে। এসব পণ্যের মধ্যে একটি অংশ রয়েছে মাছ, পিঁয়াজ, টমেটো, ডাল, কাচা মরিচ, ফুলসহ বিভিন্ন প্রকারের পচনশীল কাঁচামাল। প্রচণ্ড গরমে সেগুলো নষ্টের পথে

আন্দোলন৭১/জয়নাল/এএইচ